লকডাউনেও ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজার
আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন!
চলমান লকডাউনের মধ্যেও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার। এখনো পর্যন্ত লকডাইনের মধ্যে ছয় কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এর প্রতিটি কার্যদিবসেই সূচক আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে।
শেয়ারবাজারে এমন টানা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দেয়ায় বিনিয়োগকারীরাও বেশ খুশি। এ জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) প্রশংসা করেন তারা।
তারা বলছেন, কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে শেয়ারবাজারে লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিএসইসি সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ কারণে বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়েছে। বড় বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। যে কারণে লেনদেনের গতি বেড়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতে সূচকের কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়। সেই সঙ্গে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়। তবে লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় চিত্র। দিনের লেনদেন শেষে সবকটি মূল্য সূচক বাড়ার পাশাপাশি বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে।
দিনের লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৪৩৫ পয়েন্টে উঠে এসেছে। এর মাধ্যমে লকডাউনে কঠোর বিধিনিষেধের ছয় কার্যদিবসে ডিএসই প্রধান সূচক বাড়ল ১৭৪ পয়েন্ট।
প্রধান সূচকের পাশাপাশি বেড়েছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক। এই সূচকটি আগের দিনের তুলনায় ৪ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৮৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ৪৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১১৩৫টির। ৭৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
উল্লেখ্য, সূচকের পাশাপাশি বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৮৮৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৭৭৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনেদেন বেড়েছে ১০৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা।
আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন!

কোন মন্তব্য নেই