চট্টগ্রামে বৃষ্টিতে নষ্ট পোস্টার প্রেসে আবারো ভিড়
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ ও প্রচার প্রচারণার শুরুর পর থেকে নগরীর ছাপাখানাগুলোর ব্যস্ততা বেড়ে যায়। দিনরাত খট খট শব্দে ছাপার যন্ত্র থেকে একের পর এক বেরিয়ে আসে সাদা কালো রঙের বিভিন্ন প্রার্থীর পোস্টার। নতুন পোস্টারের নতুন ঘ্রানে প্রার্থী ও তার সমর্থকদের মুখে দেখা যায় এক চিলতে হাসি। তবে প্রচারণা শুরুর সপ্তাহ ঘুরতেই গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে চট্টগ্রামে বেশ বৃষ্টিপাত হয়। বৃষ্টিতে প্রায় প্রার্থীর পোস্টার ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রার্থীদের বাধ্য হয়ে আবারও পোস্টার ছাপাতে হচ্ছে। এতে একদিকে প্রার্থীরা আর্থিকভাবে লোকসানে পড়লেও ছাপাখানাগুলোতে বেড়েছে ব্যস্ততা।
গতকাল নগরীর আন্দরকিল্লা এলাকার কয়েকটি ছাপাখানা ঘুরে দেখা গেছে, ছাপাখানার শ্রমিকদের যেন দম ফেলার ফুরসত নেই। এমনিতেই বছরের শেষের দিকে ক্যালেন্ডার, ডায়রি ও পাঠ্যপুস্তক ছাপাতে ব্যস্ত থাকে ছাপাখানাগুলো। তবে এবার আকস্মিক বৃষ্টির কারণে প্রার্থীদের বিড়ম্বনা বাড়ে। একইসাথে ছাপাখানাগুলোতে চাপও বেড়ে যায়। সরেজমিন নগরীর কোতোয়ালী, ডবলমুরিং, বন্দর সংসদীয় আসনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টিপাতের ফলে বিভিন্ন সড়ক ও পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে চিকন রশি দিয়ে টাঙানো নৌকা-ধানের শীষসহ বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের পোস্টার ছিঁড়ে পড়ে গেছে। এছাড়া কিছু জায়গায় শুধু রশিটিই অবশিষ্ট রয়েছে। বিভিন্ন প্রার্থীর কর্মীরা জানান, পোস্টারগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আবার পোস্টার লাগাতে হবে।
এতে খরচ হবে দ্বিগুণ। জানা গেছে, প্রতিটি সাদাকালো নির্বাচনী পোস্টারের জন্য দুই থেকে তিন টাকা খরচ হয়। চট্টগ্রাম জেলা ও নগরীতে কি পরিমাণ পোস্টার টাঙানো হয়েছিল অবশ্য তার সুনির্দিষ্ট কোনো হিসাব নেই। তবে নির্বাচনে প্রচারণায় সংশ্লিষ্টরা জানান, চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে টাঙানো বিভিন্ন প্রার্থীর পোস্টার কয়েক লাখ হতে পারে। চট্টগ্রামের প্রেস মালিকরা জানান, এক রিম (২০ দিস্তা) কাগজ থেকে প্রায় এক হাজার পিস পোস্টার ছাপানো যায়। চট্টগ্রামে যে পরিমাণ প্রার্থী এবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাদের যদি পুনরায় ১০ হাজার করে পোস্টার ছাপাতে হয় সেক্ষেত্রে তাদের অনেক টাকার শুধু কাগজই কিনতে হবে। এছাড়া প্রার্থী যদি পোস্টারে লেমিনেশন করতে চান, তাহলে বাড়তি খরচ তো আছেই।
চট্টগ্রাম প্রেস মালিক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক সুবিমল দাশ দৈনিক আজাদীকে বলেন, চট্টগ্রাম প্রেস মালিক সমিতির তালিকাভুক্ত ১৭০-৭৫টি প্রেস রয়েছে। আমাদের সমিতির বাইরেও অনেক প্রেস আছে। অধিকাংশ প্রেসে এখনও নির্বাচনী পোস্টার
ছাপাতে ব্যস্ত রয়েছে। পোস্টার ছাপানোর কাজ মূলত প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে শুরু হয়। তবে সম্প্রতি বৃষ্টিতে অনেক প্রার্থীর পোস্টার ভিজে যাওয়ায় তারা পুনরায় পোস্টার ছাপাতে প্রেসে ভিড় করছেন। তবে অনেক প্রার্থী এখন পোস্টারে লেমিনেশন যুক্ত করেই পোস্টার তৈরি করেছেন।
গতকাল নগরীর আন্দরকিল্লা এলাকার কয়েকটি ছাপাখানা ঘুরে দেখা গেছে, ছাপাখানার শ্রমিকদের যেন দম ফেলার ফুরসত নেই। এমনিতেই বছরের শেষের দিকে ক্যালেন্ডার, ডায়রি ও পাঠ্যপুস্তক ছাপাতে ব্যস্ত থাকে ছাপাখানাগুলো। তবে এবার আকস্মিক বৃষ্টির কারণে প্রার্থীদের বিড়ম্বনা বাড়ে। একইসাথে ছাপাখানাগুলোতে চাপও বেড়ে যায়। সরেজমিন নগরীর কোতোয়ালী, ডবলমুরিং, বন্দর সংসদীয় আসনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টিপাতের ফলে বিভিন্ন সড়ক ও পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে চিকন রশি দিয়ে টাঙানো নৌকা-ধানের শীষসহ বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের পোস্টার ছিঁড়ে পড়ে গেছে। এছাড়া কিছু জায়গায় শুধু রশিটিই অবশিষ্ট রয়েছে। বিভিন্ন প্রার্থীর কর্মীরা জানান, পোস্টারগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আবার পোস্টার লাগাতে হবে।
এতে খরচ হবে দ্বিগুণ। জানা গেছে, প্রতিটি সাদাকালো নির্বাচনী পোস্টারের জন্য দুই থেকে তিন টাকা খরচ হয়। চট্টগ্রাম জেলা ও নগরীতে কি পরিমাণ পোস্টার টাঙানো হয়েছিল অবশ্য তার সুনির্দিষ্ট কোনো হিসাব নেই। তবে নির্বাচনে প্রচারণায় সংশ্লিষ্টরা জানান, চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে টাঙানো বিভিন্ন প্রার্থীর পোস্টার কয়েক লাখ হতে পারে। চট্টগ্রামের প্রেস মালিকরা জানান, এক রিম (২০ দিস্তা) কাগজ থেকে প্রায় এক হাজার পিস পোস্টার ছাপানো যায়। চট্টগ্রামে যে পরিমাণ প্রার্থী এবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাদের যদি পুনরায় ১০ হাজার করে পোস্টার ছাপাতে হয় সেক্ষেত্রে তাদের অনেক টাকার শুধু কাগজই কিনতে হবে। এছাড়া প্রার্থী যদি পোস্টারে লেমিনেশন করতে চান, তাহলে বাড়তি খরচ তো আছেই।
চট্টগ্রাম প্রেস মালিক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক সুবিমল দাশ দৈনিক আজাদীকে বলেন, চট্টগ্রাম প্রেস মালিক সমিতির তালিকাভুক্ত ১৭০-৭৫টি প্রেস রয়েছে। আমাদের সমিতির বাইরেও অনেক প্রেস আছে। অধিকাংশ প্রেসে এখনও নির্বাচনী পোস্টার
ছাপাতে ব্যস্ত রয়েছে। পোস্টার ছাপানোর কাজ মূলত প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে শুরু হয়। তবে সম্প্রতি বৃষ্টিতে অনেক প্রার্থীর পোস্টার ভিজে যাওয়ায় তারা পুনরায় পোস্টার ছাপাতে প্রেসে ভিড় করছেন। তবে অনেক প্রার্থী এখন পোস্টারে লেমিনেশন যুক্ত করেই পোস্টার তৈরি করেছেন।

কোন মন্তব্য নেই